কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া থেকে ১ হাজার ২০০ পর্যটক সেন্ট মার্টিন দ্বীপে রওনা দিয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাতটায় নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট থেকে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ—এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারআউলিয়া ও কেয়ারি সিন্দাবাদ—দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
প্রতিদিন দুই হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ এবং রাত্রিযাপনের সুযোগ পাবেন। পর্যটকদের জন্য সাতটি জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছিলেন, সরকারি ১২টি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানা হবে। কোনো পর্যটক পলিথিন বা প্লাস্টিক বহন করতে পারবে না।
পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকবে টুরিস্ট পুলিশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পৃথক দুটি দল। জাহাজে ওঠার আগে পর্যটকদের টিকিটে কিউআর কোড যাচাই করা হয় এবং বিনা মূল্যে অ্যালুমিনিয়াম বোতলে খাবার পানি বিতরণ করা হয়।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে রাতের বেলায় আলো, শব্দ, বারবিকিউ পার্টি, কেয়াবনে প্রবেশ, প্রবাল বা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি নিষিদ্ধ। মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ যেকোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে দ্বীপটিকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করেছিল। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি, সেন্ট মার্টিন ও সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়।
